কক্সবাজারের টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জায়েদ মো.নূর এর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
ওসি বলেন,একটি মহল মাদক চোরাকারবারিদের পক্ষ হয়ে পুলিশকে টার্গেট করছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন,আমার নামে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এমন সংবাদ মাদক ব্যবসায় জড়িতদের আরও বেপরোয়া করে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
গত ১৮ অক্টোবর শনিবার কক্সবাজার জেলার একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল টেলিগ্রাম নিউজ-এ
৩ লাখ টাকার বিনিময়ে ইয়াবা কারবারিকে এসি গাড়ির ব্যবস্থা করলেন টেকনাফ ওসি।
এ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট উদ্দেশ্য প্রণোদিত।
আমি এই শিরোনামের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
ওসি আবু জায়েদ মো. নূর আরও বলেন,
গত শনিবার কক্সবাজার বিজ্ঞ আদালতে মোট আটজন আসামিকে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে একজন নারী ও সাতজন পুরুষ আসামি ছিলেন। পুরুষ আসামিদের মধ্যে একজন ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এবং দুইজন ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার আসামি ছিল। প্রথমে লেগুনাযোগে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।পরে নিরাপত্তা ও আসনসংখ্যার কারণে মহিলা পুলিশসহ নারী আসামিকে অন্য গাড়িতে পাঠানো হয়।
তিনি আরও বলেন,এই ঘটনাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে যে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে,
তা সম্পূর্ণ মনগড়া ও অসত্য। এটি পুলিশের স্বাভাবিক মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাঁধা সৃষ্টি এবং আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করার অপচেষ্টা।
এই সংবাদের মাধ্যমে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা করা হয়েছে। কোনো সংবেদনশীল সংবাদ প্রকাশের আগে সত্যতা যাচাই করা উচিত,যাতে নিরপরাধ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
তিনি জোর দিয়ে আরও বলেন,একটি মহল মাদক চোরাকারবারিদের পক্ষ হয়ে পুলিশকে টার্গেট করে মিথ্যাচার করছে। কিন্তু আমরা মাদক নির্মূলে বদ্ধপরিকর,কোনো অপপ্রচারে পিছপা হব না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওসি আবু জায়েদ নূর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে টেকনাফে মাদক চোরাকারবারিরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। পুলিশের কঠোর তৎপরতায় তারা আগের মতো প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনা করতে পারছে না।