গত ২১/১১/২০২৫ দৈনিক সমকাল পত্রিকায় ‘ইউপি সচিবের এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবসা’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদে আমাকে বিপুল অর্থের মালিক বলে উপস্থাপন করা হয়েছে,যা সম্পূর্ণ মিথ্যা সঠিক নয়। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মূলত বিষয় হচ্ছে ২০১৯ সালে এলাকার কিছু শিক্ষিত,বেকার,সমমনা যুবকরা মিলে একটা উদ্যোগ নিয়ে অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে মুরগীর খামার,পুকুর,ধানচাষ সহ বিভিন্ন উৎপাদনশীল কৃষি কার্যক্রম পরিচালনা করতেছিল,ওখানে অন্যন্যদের মত আমিও অংশীদার হই। এক পর্যায়ে সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়ে একটা এজেন্ট ব্যাংকের শাখা নেয় এবং অংশীদার নুর উল্লাহ ও মোঃ সালাম সেটি পরিচালনা করে। ব্যাংক পরিচালনার সময় তারা ভিজিডি একাউন্ট বিষয়ে উপকারভোগীদের যা সঞ্চয় জমা নিয়েছিল, তা সকলকে এক এক করে বুঝিয়ে দেয়া হয়ে হয়েছে,যার ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করা আছে।পাশাপাশি কৃষি কার্যক্রমের হিসাব থাকত নুর উল্লাহ এর কাছে। এক পর্যায়ে সবাই মিলে হিসাবে বসলে একটা ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়। উক্ত ঘাটতির হিসাব পরিপূর্ণভাবে না দিয়ে নুর উল্লাহ কৌশলে ব্যাংকের কলিগ মোঃ সালামকে জানিয়ে তার স্ত্রীকে ডাক্তার দেখাতে কক্সবাজার যাচ্ছে বলে মালয়েশিয়া চলে যায়। পরিপূর্ণ হিসাবে বসলে নিশ্চিত ক্ষতির ভাগ নিতে হবে দেখে নুর উল্লাহর অনুপস্থিতে অনেক অংশীদার ক্ষতির ভাগ না নিয়ে মুলধন ফেরত চাইতে থাকে এবং আমি চাকরিতে আছি তাই আমার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে কিছু অংশীদার আমাকে বিভিন্নভাবে হেনস্তা করার চেষ্টা করে।পরবর্তী বৈঠকে এজেন্ট ব্যাংক কার্যক্রম অন্যকারো নামে দিয়ে দিতে চাইলে তারা কেহ নিতে রাজি না হওয়ার তা সারান্ডার করে দিই। ইতোমধ্যে, স্থানীয় মেম্বারসহ এলাকায় যুব-মুরুব্বীরা বসে বিষয়টি সুরাহা করা হয়েছে। এ বিষয়ে অংশীদারদের মধ্যে আর কোন মতবিরোধ নাই।
সংবাদে উল্লেখ আমার নামে প্রাইভেট কার ও বাস নেই, কখনো ছিলনা। ফ্লাটের ব্যাপারে যা বলা হয়েছে, তা অপপ্রচার ছাড়া আর কিছু নই। খবরে প্রকাশিত এত সম্পদের মালিক আমি নই, এত বিপুল পরিমান টাকার মালিক হলে পিতার কিনে দেয়া জমিঘর বিক্রি করে কর্জ পরিশোধ করা প্রয়োজন হতনা।তাই এসব অপপ্রচারে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।
সরওয়ার কামাল,প্রশাসনিক কর্মকর্তা,সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদ