হ্নীলার দুবাই প্রবাসী এরশাদকে জড়ানোর ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ,সুষ্ঠু তদন্তের দাবি পরিবারের
প্রেসবিজ্ঞপ্তি!
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের দুবাই প্রবাসী এরশাদকে তরুণী শরিফাকে ঘিরে প্রকাশিত অভিযোগের সঙ্গে জড়ানোর ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন, পরিবার ও স্থানীয়রা।
একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রচার না করে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও এরশাদের ঘনিষ্ঠজনদের দাবি,দীর্ঘ আট থেকে দশ বছর দুবাইয়ে প্রবাসজীবন কাটানোর পর ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তিনি দেশে ফেরেন।
দেশে ফেরার পর থেকেই তাকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতা শুরু হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করছেন।তবে এ অভিযোগেরও স্বাধীনভাবে যাচাই প্রয়োজন।তাদের প্রশ্ন, দীর্ঘ সময় প্রবাসে থাকার পর পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানে দেশে আসা একজন প্রবাসীকে হঠাৎ করে বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে কেন?
এর পেছনে ব্যক্তিগত বিরোধ, ভুল বোঝাবুঝি কিংবা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না-সেটিও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন বলে তারা মনে করছেন।
প্রমাণ ছাড়া কাউকে জড়ানোর প্রতিবাদ এরশাদের পক্ষের লোকজনের বক্তব্য,কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দেওয়া এবং তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করাই সঠিক পদ্ধতি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ প্রকাশ করে কাউকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপন করা হলে তার সামাজিক মর্যাদা ও পারিবারিক জীবনে মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে।
তারা আরও বলেন, এরশাদ যদি কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলে তদন্তের মাধ্যমে তা প্রমাণিত হোক এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।কিন্তু প্রমাণের আগে তাকে কোনো ঘটনায় জড়িত বা দোষী হিসেবে প্রচার করা উচিত নয়।
তরুণী শরিফার বিষয়েও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তরুণী শরিফাকে ঘিরে যে অভিযোগ বা তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে,সেটিও তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। শরিফা একজন শিক্ষার্থী এবং গণিত বিষয়ে পড়াশোনা করছেন বলে জানা গেছে।
তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে তারও বক্তব্য শোনা এবং অভিযোগের পক্ষে-বিপক্ষে থাকা তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা জরুরি।
বিশেষ করে কুরিয়ারযোগে কোনো সামগ্রী পাঠানো হয়ে থাকলে কে পাঠিয়েছে, কোথা থেকে পাঠিয়েছে, কার নামে বুকিং করা হয়েছে, কী উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে এবং প্রাপক বিষয়টি সম্পর্কে আগে থেকে অবগত ছিলেন কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তের মাধ্যমে বের করা প্রয়োজন।
কাদের মাধ্যমে তথ্য ছড়িয়েছে, সেটিও তদন্তের দাবি,এরশাদের পক্ষ থেকে আরও প্রশ্ন তোলা হয়েছে—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে তথ্য বা অভিযোছড়ানো হয়েছে, তার উৎস কী এবং তথ্যগুলো কতটুকু যাচাই করা হয়েছে? সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।তবে কারও বিরুদ্ধে পাল্টা কোনো অভিযোগও প্রমাণ ছাড়া করা উচিত নয় বলে মনে করছেন, পরিবার ও স্থানীয়রা।
প্রকৃত ঘটনা জানতে হলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করা প্রয়োজন।প্রশাসনের প্রতি আহ্বান,স্থানীয়দের দাবি, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে কোনো পক্ষ যেন হয়রানির শিকার না হয় এবং কোনো নির্দোষ ব্যক্তি যেন সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেজন্য প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করুক।
অভিযোগ থাকলে তদন্ত হোক, প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো ব্যক্তিকে অপরাধী হিসেবে প্রচার করা থেকে বিরত থাকা হোক।
দুবাই প্রবাসী এরশাদকে জড়ানোর ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলেন,ব্যক্তিগত বিরোধ বা কোনো ষড়যন্ত্র থাকলে সেটিও তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসুক। আর যদি অভিযোগের পেছনে কোনো সত্যতা থাকে, সেটিও প্রমাণের ভিত্তিতে স্পষ্ট করা হোক।
সবার প্রত্যাশা-কাউকে রক্ষা বা কাউকে ফাঁসানো নয়; নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হোক এবং নির্দোষ মানুষের সামাজিক মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষিত থাকুক।
ইতি দুবাই প্রবাসী এরশাদের পরিবার ও স্থানীয়রা।