টেকনাফে শসার বাম্পার ফলন,সার নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা
সাইফুল ইসলাম শাহিন, টেকনাফ
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল পরিবেশ ও পরিচর্যার ফলে শসার ভালো উৎপাদন হওয়ায় খুশি স্থানীয় কৃষকেরা।বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় তাঁদের মুখে হাসি ফুটেছে। তবে সার নিয়ে দুশ্চিন্তা কাটছে না চাষিদের। সময়মতো প্রয়োজনীয় সার পাওয়া এবং উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন তাঁরা।
টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শসা চাষ করে লাভের আশা করছেন কৃষকেরা। শসা একটি স্বল্পমেয়াদি সবজি হওয়ায় অল্প সময়ে ফলন পাওয়া যায়। ফলে অনেক কৃষকই নিজেদের জমিতে শসা চাষে আগ্রহী হয়েছেন। জমিতে শসার গাছভর্তি ফল দেখে তাঁদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।
কৃষকেরা জানান,শসা চাষে জমি প্রস্তুত করা,বীজ কেনা,সার প্রয়োগ, সেচ ও পরিচর্যাসহ বিভিন্ন খাতে খরচ করতে হয়। ফলন ভালো হলে এবং বাজারে ন্যায্য দাম পাওয়া গেলে এসব খরচ বাদ দিয়ে লাভের মুখ দেখা সম্ভব। বর্তমানে ভালো ফলন ও বাজারদর তাঁদের স্বস্তি দিলেও সার নিয়ে অনিশ্চয়তা তাঁদের ভাবিয়ে তুলছে।
চাষিদের মতে,শসা গাছের সঠিক বৃদ্ধি ও ফলন ধরে রাখতে নির্দিষ্ট সময়ে প্রয়োজনীয় সার প্রয়োগ করা জরুরি। সময়মতো সার না পেলে গাছের বৃদ্ধি ও উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ কারণে কৃষকেরা সার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং কৃষি উপকরণের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
কৃষকদের প্রত্যাশা,শসার বর্তমান বাজারদর বজায় থাকলে তাঁরা উৎপাদন খরচ পুষিয়ে ভালো মুনাফা অর্জন করতে পারবেন। পাশাপাশি কৃষি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সার সরবরাহের বিষয়টি নজরদারিতে রাখলে চাষিরা আরও স্বস্তিতে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন।
শসা চাষি সাবরাংয়ের পেন্ডল পাড়া এলাকার মো. ইয়াছিন জানান,শসার বাম্পার ফলন হয়েছে তবে সারের দাম বেশি হওয়ায় খরচ বেশি কিন্তু লোকসান হবে না তবে লাভ হবে।
আরেক চাষি কৃষক মুক্তার আহমদের জানান,প্রতি বছর আমি শসার আবাদ করি এবছর শসার আবাদ বাম্পার ফলন হয়েছে দামও ভালো লাভবান হব কিন্তু সার নিয়ে ভোগান্তি সার ঠিকমতো পাই নাই, কীটনাশক এর দাম বেশি খরচ বেশি হয়েছে।
এদিকে টেকনাফ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান,টেকনাফে কোনো ধরনের সারের ঘাটতি নেই। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণ সার সরবরাহ করা হচ্ছে।